চাঁপাইনবাবগঞ্জে বজ্রপাতে নিহত ৬

নিজেশ্ব প্রতিবেদকঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জ

মোঃ রাফি

চাঁপাইনবাবগঞ্জ বজ্রপাত, বজ্রপাতে মৃত্যু, Chapainawabganj lightning strike, আমবাগানে বজ্রপাত, শিবগঞ্জ সংবাদ, নাচোল সংবাদ, সদর উপজেলা খবর, বাংলাদেশ বজ্রপাত, lightning strike Bangladesh, Chapainawabganj news, আম কুড়াতে গিয়ে মৃত্যু, বজ্রপাতে নিহত ৬, আজকের সর্বশেষ খবর, ব্রেকিং নিউজ বাংলাদেশ, weather news Bangladesh, thunderstorm Bangladesh, lightning death news, chapainawabganj breaking news, mango orchard accident, বজ্রপাতে নিহত

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর, শিবগঞ্জ ও নাচোল উপজেলায় বজ্রপাতে তিন নারীসহ ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ৪ জন আমবাগানে ছিলেন। ঝড়বৃষ্টির মধ্যে ঘটে মর্মান্তিক এই ঘটনা।


চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর, শিবগঞ্জ ও নাচোল উপজেলায় বজ্রপাতের পৃথক ঘটনায় তিন নারীসহ ছয়জনের প্রাণহানি হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে এসব দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে চারজন আমবাগানে অবস্থানকালে বজ্রাঘাতের শিকার হন। স্থানীয় থানা পুলিশ ঘটনাগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নের আতাহার এলাকার মো. রাব্বিলের ছেলে আবদুল্লাহ, শিবগঞ্জ উপজেলার চককীর্তি ইউনিয়নের চকনরেন্দ্র গ্রামের আবদুর রবের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার, রানীবাড়ি-বাজারপাড়ার আবুল কাশেমের মেয়ে সাদিয়া খাতুন, মোবারকপুর ইউনিয়নের শিকারপুর দক্ষিণ পাড়ার ফিটু আলীর ছেলে মো. মেসবাউল, নাচোল উপজেলার লাহাবাড়ি গ্রামের সুমিয়ারা বেগম এবং গোসাইপুর গ্রামের মো. শফিউলের ছেলে হাসান আলী (লালু)।

শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মতিউর রহমান জানান, উপজেলার তিনজনই নিজ নিজ বাড়ির কাছের আমবাগানে বজ্রপাতে মারা গেছেন। ঝড়ো আবহাওয়ার মধ্যে আম সংগ্রহ করতে গিয়ে তারা বজ্রাঘাতের মুখে পড়েন।

এ ঘটনায় নিহত তিন পরিবারের প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান।

অন্যদিকে সদর উপজেলার আতাহার এলাকায় বৃষ্টির সময় মাঠ থেকে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে আহত হন আবদুল্লাহ। সদর থানার ওসি একরামুল হোসাইনের ভাষ্য অনুযায়ী, স্থানীয়রা তাকে দ্রুত চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। একই ঘটনায় গরুটিও মারা যায়।

আরো পড়ুন,

নাচোল থানার ওসি সুকোমল চন্দ্র দেবনাথ জানান, লাহাবাড়ি এলাকায় মাঠ থেকে ঘাস কেটে ফেরার পথে বজ্রাঘাতে প্রাণ হারান সুমিয়ারা বেগম। এছাড়া গোসাইপুর গ্রামের তরুণ হাসান আলী (লালু) আমবাগানে থাকা অবস্থায় বজ্রপাতে নিহত হন।

একই দিনে জেলার তিনটি উপজেলায় বজ্রপাতের এসব ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.