সিডনি হামলাকে কেন্দ্র করে অস্ট্রেলিয়া ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে।

সংসদ অধিবেশন খবর, আজকের খবর, আজকের সর্বশেষ সংবাদ, Breaking news Bangladesh, Latest news in Bangladesh, Bangladesh news today, International news today, World news Bangla, Middle East news Bangladesh, Global breaking news, আজকের টপ নিউজ, জাতীয় খবর আজ, আজকের গুরুত্বপূর্ণ খবর, বাংলাদেশ রাজনীতি খবর, Political news Bangladesh, সরকারী সিদ্ধান্ত আজ,

সিডনি হামলাকে কেন্দ্র করে অস্ট্রেলিয়া ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে


সিডনির বন্ডাই সমুদ্রসৈকতে সম্প্রতি ইহুদিদের একটি উৎসবে বন্দুকধারীদের হামলার পর অস্ট্রেলিয়া ও ইসরায়েলের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের উত্তেজনা আরও বেড়ে গেছে। এ ঘটনার পর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু অস্ট্রেলিয়ার প্রতি কড়া বক্তব্য দিয়েছেন। পাশাপাশি, ইহুদিবিদ্বেষ মোকাবিলায় কার্যকর ব্যবস্থা নিতে দেশটির ভেতরে চাপও বাড়ছে। 

হামলার প্রেক্ষিতে, আজ সোমবার অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানিজ জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছেন। ২০২৩ সাল থেকে দেশে বাড়তে থাকা ইহুদিবিদ্বেষের বিরুদ্ধে অস্ট্রেলিয়া যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না—নেতানিয়াহুর এমন অভিযোগের পর আলবানিজ এ আহ্বান জানান। তিনি জোর দিয়ে বলেন, তাঁর সরকার প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য প্রস্তুত। 

এক সংবাদ সম্মেলনে আলবানিজ জানান, ইহুদিবিদ্বেষের বিরুদ্ধে তাঁর সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ ইতোমধ্যে কার্যকর হচ্ছে। এসব উদ্যোগের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, ঘৃণা ছড়ানো এবং সহিংসতায় উসকানি দেওয়ার মতো বক্তব্য ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করা, নাৎসি প্রতীকের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা, এবং ইহুদি সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তহবিল বৃদ্ধি করা। 

এছাড়া অস্ট্রেলিয়ায় বন্দুক নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে আরও কঠোর করার কথাও জানান তিনি। অস্ট্রেলিয়ার ২০২১ সালের আদমশুমারির তথ্য অনুসারে, দেশটিতে প্রায় ১ লাখ ১৭ হাজার ইহুদি বাস করেন, যা মোট জনসংখ্যার মাত্র দশমিক ৪৬ শতাংশ। অধিকাংশ ইহুদি সিডনি এবং মেলবোর্নে বসবাস করেন। বন্ডাই সৈকতের সাম্প্রতিক হামলার পর তাদের অনেকেই নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। 

গত সেপ্টেম্বরে গাজায় ইসরায়েলের অভিযান চলাকালে ফিলিস্তিনকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয় অস্ট্রেলিয়া, যা নেতানিয়াহু সরকারের তীব্র আপত্তির মুখোমুখি হয়। এছাড়া, গাজায় ইসরায়েলের ক্রমাগত নৃশংসতার প্রতিবাদে নিউ সাউথ ওয়েলস প্রদেশে নিয়মিত বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়, যেগুলো স্থানীয় কর্তৃপক্ষের অনুমোদনে আয়োজিত হয়। দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েন চরমে পৌঁছে গত আগস্টে, যখন ইসরায়েলের দখলে 

থাকা ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে কূটনীতিকদের জন্য ভিসা বাতিল করে নেতানিয়াহু সরকার। এর প্রতিক্রিয়ায় অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং মন্তব্য করেন যে ইসরায়েলের এমন পদক্ষেপ একেবারেই অযৌক্তিক এবং ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য এটি প্রতিহিংসামূলক আচরণ।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.