এক ইনিংসে আবু হায়দারের ১৩টি ছক্কা, তবে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে এই রেকর্ডটি কার নামে আছে?

জাতীয় ক্রিকেট লিগের ষষ্ঠ রাউন্ডে বরিশালের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে মাত্র ৯৭ রানে থেমেছিলেন আবু হায়দার। তবে শেষ রাউন্ডের তৃতীয় দিনে ময়মনসিংহ বিভাগের এই পেস অলরাউন্ডার অপরাজিত থাকেন ঠিক সেই ৯৭ রানেই। সেখানেই থেমে যাননি, আজ রাজশাহীর বিপক্ষে সিলেটে দিনের শুরুতে চার মেরে নিয়ে আসেন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে নিজের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। রনির নামে পরিচিত আবু হায়দার এইবার আর সেঞ্চুরির কাছে পৌঁছে থামেননি।
এক ইনিংসে আবু হায়দারের ১৩টি ছক্কা, তবে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে এই রেকর্ডটি কার  নামে আছে?


৯০ বলেই সেঞ্চুরি পূর্ণ করার পর হায়দার শেষ পর্যন্ত ১২৭ বলে ১৪১ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন। আট নম্বরে ব্যাট করতে নেমে এই ধ্রুপদি ইনিংস খেলতে গিয়ে তিনি হাঁকিয়েছেন দারুণ ১৩টি ছক্কা, যার মধ্যে শেষ চারটি ছক্কা আসে আজকের দিনে। উল্লেখ্য, ২০১৬ থেকে ২০১৮ সালে বাংলাদেশের হয়ে ২টি ওয়ানডে এবং ১৩টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে এই বাঁহাতি পেসারের।

বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ব্যাটসমানদের মধ্যে মাত্র দুইজন হায়দারের চেয়ে এক ইনিংসে বেশি ছক্কা মেরেছেন। এই তালিকার শীর্ষে রয়েছেন মুক্তার আলী। ২০১৩-১৪ মৌসুমে জাতীয় ক্রিকেট লিগে বিকেএসপিতে চট্টগ্রামের বিপক্ষে রাজশাহীর হয়ে ১৬৮ রানের ইনিংস খেলার সময় ১৬টি ছক্কা মেরে তিনি বিশ্ব রেকর্ড স্পর্শ করেন। তাঁর সঙ্গে একই তালিকায় ছিলেন অ্যান্ড্রু সাইমন্ডস, জেসি রাইডার এবং গ্রাহাম নেপিয়ার। যদিও পরবর্তীতে এ রেকর্ডকে ছাড়িয়ে যান আরও আটজন।

মুক্তার এই কীর্তি গড়ার আগেই, এক মৌসুম আগে, বাংলাদেশের রেকর্ডটি ছিল জিয়াউর রহমানের দখলে। ২০১২ সালের ২৭ ডিসেম্বর, ফ্র্যাঞ্চাইজি বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের প্রথম আসরের প্রথম দিনেই জিয়া ১৫টি ছক্কা হাঁকিয়ে নতুন রেকর্ড স্থাপন করেন। মিরপুরে দক্ষিণাঞ্চলের হয়ে মধ্যাঞ্চলের বিপক্ষে খেলা সেই ম্যাচে জিয়া ১১৮ বলে অপরাজিত ১৫২ রান করেছিলেন।

তাঁর আগে এই রেকর্ডটি ছিল তামিম ইকবালের। মাত্র দুই মাস আগেই, ২০১২ সালের ২ নভেম্বর, বিকেএসপিতে চট্টগ্রামের হয়ে সিলেটের বিপক্ষে ১৮৩ রান করার পথে তামিম মারেন ১২টি ছক্কা। বাংলাদেশের ইতিহাসে তিনিই প্রথম ব্যাটসম্যান, যিনি প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে একটি ইনিংসে ছক্কার সংখ্যা দুই অঙ্কে নিয়ে যান।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.